بسم الله الرحمن الرحيم
image

Hi !image image image image
যে গেমস্ থেকে বিরত থাকবেন
HomeLog InRegister
NotificationOnline TV DJ Song

যে গেমস্ থেকে বিরত থাকবেন


লছি

অবশেষে বাংলাদেশেও ব্লু হোয়েল গেম

খেলে একজনের আত্মহত্যা!!

বাসে করে শাহবাগ যাচ্ছিলাম আজ শুক্রবার সন্ধ্যায়।

পাশে বসা এক লোক বারবার ফোনে কথা বলছে,

আর বিভিন্নজনকে ব্লু হোয়েল গেমের কথা

বলছে।

কৌতূহল হওয়াতে জিজ্ঞাসা করলাম, কাহিনী কি?

উনি জানালেন, তার ভাতিজি গত পরশু অর্থাৎ বুধবার রাতে

আত্মহত্যা করেছে। মেয়েটি হলিক্রস স্কুলের

অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। রোল ছিল এক।

আত্মহত্যার পরে দেখা যায় তার শরীরে নীল

তিমি আঁকানো!!

মেয়েটির ছবিও দেখালেন উনি। অনেক হাসিখুশি

মিষ্টি চেহারার একটা মেয়ে।

আমার জানামতে বিশ্বের বহু দেশে ব্লু

হোয়েলের কারণে আত্মহত্যা হলেও

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত হয় নি।

তাই ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য লোকটির ফেসবুক

আইডি নিলাম। মৃত মেয়েটা হিন্দু বর্ধন পরিবারের,

লোকটিও বর্ধন পরিবারের।

এরপর আরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য হলিক্রস স্কুলের

কেউ আত্মহত্যা করেছে কি না, তা জানতে গুগলে

সার্চ দিলাম।

দৈনিক মানব জমিনের রিপোর্ট পেলাম, যদিও পত্রিকার

রিপোর্ট মতে বৃহস্পতিবার সকালে মেয়েটি মারা

যায়। (মানবজমিন, ৫ অক্টোবর ২০১৭)

এরপর মি. বর্ধনকে ব্লু হোয়েল নিয়ে আমার

আগের পোস্ট পড়ালাম। উনি একটু একটু জানতেন,

বিস্তারিত জেনে তাজ্জব হয়ে গেলেন। বিভিন্ন

দেশে গেমে অংশগ্রহণকারীদের কিছু কিছু কাজ

(চ্যালেঞ্জ পূরণ করা) তার ভাতিজির সাথে মিলে যায়!

এর সাথে আগে কেন পড়লেন না লেখাটি

আফসোস করতে লাগলেন।

ব্লু হোয়েল একটা অনলাইন সুইসাইড গেম, যার

ফাঁদে পরে সারা বিশ্বে শতশত টিনেজ ছেলে

মেয়েরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

গেমটি কোথাও ডাউনলোড করে পাওয়া যায় না।

তবে বিশেষভাবে গেমটির কিউরেটর বা

এডমিনিস্ট্রেটরের নজরে আসা যায়।

এরপর কিউরেটর বা এডমিনিস্ট্রেটর নিজেই

যোগাযোগ করে গেমের অংশ হিসেবে

প্রতিযোগীকে একেক দিন একেকটা

চ্যালেঞ্জ টাস্ক দেয়। এভাবে পঞ্চাশ দিনের

মোট পঞ্চাশটি চ্যালেঞ্জ পূরণ করতে হয় গেমটি

শেষ করার জন্য।

চ্যালেঞ্জগুলোও অনেক অদ্ভুত। যেমন- হাত

কেটে কিছু লেখা, চাকু দিয়ে শরীরে তিমি মাছ

আঁকানো, উঁচু বিল্ডিং এ চড়া, মাঝরাতে কবরস্থানে

যাওয়া, গায়ের ভেতর সুই ফোটানো, ভোর রাতে

বাহিরে বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

প্রত্যেক চ্যালেঞ্জ শেষ করার পর এর ছবি আবার

এডমিনিস্ট্রেটরকে পাঠাতে হয় প্রমাণ দেওয়ার

জন্য। তখন এডমিনিস্ট্রেটর তার সাহসিকতার প্রশংসা

করে তাকে পয়েন্ট দেয়।

এভাবে উনপঞ্চাশটি চ্যালেঞ্জ শেষ করার পর

শেষ চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয় সুইসাইড বা আত্মহত্যা

করার।

আর এই চ্যালেঞ্জটিই বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এ

পর্যন্ত সারা বিশ্বে কয়েকশ টিনেজ ছেলে

মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। এমনকি পাশের দেশ

ভারতেও বেশ কয়েকজন কিশোর আত্মহত্যা

করেছে এই গেম খেলে। এর সাথে আমাদের

দেশও নতুন করে যোগ হল।

আবার কেউ যদি গেমটি শুরু করার পর আর না

খেলতে চায়, তখন তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি

দেওয়া হয় তার অথবা আত্মীয় স্বজনের ক্ষতি

করার। যদিও এসব হুমকির কোন বাস্তবতা নেই, কিন্তু

অনেক টিনেজরা এগুলো হুমকিকেই সত্যি ভেবে

ভয় পেয়ে গেমটা চালিয়ে যায়।

রাশিয়ার “ডেথ গ্রুপ” নামের একটা আন্ডারগ্রাউন্ড

গ্রুপ গেমটি চালায়। এই গেমটি ২০১৩ সালে রাশিয়ার

ফিলিপ বুদেকিন নামের একজন মনোবিজ্ঞানের

ছাত্র তৈরি করে।

সম্প্রতি রাশিয়ার পুলিশ ফিলিপকে গ্রেপ্তার করার পর

এই ভয়াবহ তথ্য বের হয়ে এসেছে।

ডাটা অনুযায়ী আট বছর থেকে বাইশ বছর পর্যন্ত

কিশোর কিশোরীরা এই গেমে আসক্ত। এদের

মধ্যে টিনেজরা বেশি আত্মহত্যা করেছে।

তাই নিজের কাছের কিশোর কিশোরীদের

দিকে নজর রাখা উচিত সবসময়, কেউ এই গেমের

সাথে জড়িয়ে গেছে কি না কিংবা কেউ কোন

অস্বাভাবিক আচরণ করছে কি না।

এমন অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়লে অবশ্যই

প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থা সাথে সাথে গ্রহণ করতে

হবে।

About Author (2)

Guest

This author may not interusted to share anything with others

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

~~Forum Categories~
imageSeO
~ Other Forum ~
General User's Forum
Tuner'S or Moderator'S TeSt ForUm
Admin Zone
agunbd Facebook fan
Send Me E-mail
Call Me
Change Language
 
HOME
 
[Admin]
  
Top ^

AGUN & ROTON